সোশ্যাল নেটওয়ার্কে আমাদের অপরাধ সমূহ

facebook-judge-online

১.

বর্তমানে বাংলাদেশের কয়েক লক্ষ মানুষ নিয়মিত অনলাইন জীবন-যাপন করছে! তরকারীতে লবণ বেশি হওয়ার সংবাদ থেকে বেড রুমে বাচ্চার ন্যাপকিন ছিঁড়ে যাওয়ার সংবাদ কোন কিছুই এখন বাদ পড়ছে না। মানুষের ঘুরতে যাওয়ার সুযোগ ও স্থানের অভাবের কারণে মানুষ অনলাইনে সময় বেশি দিচ্ছে। এছাড়াও অনলাইনে রয়েছে মত প্রকাশের স্বাধীনতা। বাংলাদেশের মতন রাষ্ট্রগুলোতে রাজনৈতিক ও সরকারী পাণ্ডাদের অপরাধের বিরুদ্ধে সমাজে কিছু বলার যেহেতু সাহস ও সুযোগ নেই সেহেতু সোশ্যাল নেটওয়ার্ক হল নিজের ক্ষোভ ও রাগ ঝাড়ার সবচেয়ে ভাল মাধ্যম। ভিন্ন দেশের মানুষ ফেসবুকে এতোটা সময় যেমন দেয় না তেমনি তাদের ফেসবুকের হোম পেইজে এতোটা মারামারি ও তিক্ততাও নেই।

মানুষ ফেসবুকে বাড়তি সময় দিচ্ছে এটি তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। অতিরিক্ত সময় দেওয়ার কুফল নিয়ে সমাজবিদ, সাইকোলজিস্টরা বিভিন্ন সময় কথা বলেন। গত কয়েক বছর ধরে ফেসবুকে জেনে-বুঝে আমরা কয়েক ধরণের অপরাধ,অন্যায়ে লিপ্ত হচ্ছি। অনেকে হয়তো এসব অপরাধকে তেমনিভাবে আমলে নেয় না, অথচ অনলাইনে এসব কর্মকাণ্ড একজন মানুষের ব্যক্তিগত জীবনকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়। এমনকি একজন মানুষ সামাজিকভাবে অপদস্থ হওয়ার কারণে আত্মহত্যার পথও বেঁছে নিতে পারে।

সম্প্রতি ধানমন্ডির এক ধনীর দুলাল নিজের প্রাইভেট কারে এক মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টায় জনতার হাতে ধরা পড়ে। অতঃপর অনলাইনে সেই ব্যক্তির ফেসবুক আইডি ও ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হয়। লোকটির আইডিতে গিয়ে দেখতে পাই সেই ধর্ষকের স্ত্রী’র ছবিতে গিয়ে অসংখ্য লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ধর্ষণের কথা বলছে। বিষয়টা এমন, ধর্ষককে শান্তি দেওয়ার জন্যে তার স্ত্রী’কেও ধর্ষণ করা হোক। এটি যে অপরাধ তা নিয়ে কোন সংশয় নেই। আমার ফোকাসটা হল; সেসব অনলাইন বীর যোদ্ধাদের যারা ধর্ষকের ছবি শেয়ার করতে গিয়ে ধর্ষকের স্ত্রী ও সন্তানের ছবি শেয়ার করছে। পৃথিবীর বিভিন্ন উন্নত রাষ্ট্রে ধর্ষণ কিংবা খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার কোন ব্যক্তির ছবি পত্রিকায় প্রকাশে বিধি নিষেধ আছে। রাষ্ট্রের কাছে ব্যক্তির অপরাধের দায় শুধু ঐ ব্যক্তির। ব্যক্তির অপরাধে তার পরিবারের কোন সদস্যদের নাজেহাল করার কোন সুযোগ নেই। অথচ আমরা উন্মাদের মতন একজন ব্যক্তির ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার সাথে এটা মাথায় রাখি না তার আশপাশের কেউ যেন এই কারণে সামাজিকভাবে নাজেহাল কিংবা অপদস্থ না হয়। আমাদের এমন বালখিল্য আচরণের কারণে কেউ যদি আত্মহত্যার পথ কিংবা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে সেই দায় কার? নিজের রাগ ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিয়ে আরেকজনের জীবনে বিপর্যয় নিয়ে আসছি।

২.

লেখক-প্রকাশক হত্যার সময়ও আমরা একই চিত্র দেখেছি। ব্যক্তিগত বিরোধ কিংবা কাউকে খুঁজে দায়ী করতে হবে এই মানসিকতায় সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন ব্যক্তি, পরিবারের দিকে সরাসরি আঙুল তুলেছি। ব্যক্তিগত গোয়েন্দাগিরি কিংবা সন্দেহে কোন ব্যক্তির দিকে সরাসরি আঙুল তুলে দায়ী করা একটা অপসংস্কৃতির অংশ। বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যেহেতু এই কাজটি সঠিকভাবে করতে আগ্রহী নয় তাই এই কাজের ভাবে আমরা নিজের হাতে তুলে নিতে আগ্রহী। সমস্যা হল এই আঙুল তোলার অপসংস্কৃতি এই আঙ্গুল ক্রসফায়ারের সংস্কৃতির মতন একদিন নিজের দিকেই ঘুরে আসতে পারে।

কারাগার হল অপরাধ দমনের জন্যে মানুষকে সতর্ক করা, অপরাধীদের সংশোধন করে সমাজে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করা। একজন কম বয়সী তরুণ হয়তো না বুঝে রাগের মাথায় কোন ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। আমরা নিজেদের সুরক্ষার জন্যে যেহেতু কিছু  আইন সৃষ্টি করেছি সেহেতু সেই আইনি আমরা তার বিচার করলাম। বিচার করার অর্থ এই নয় যে সে সমাজে আর ফিরে আসতে পারবে না। বিচার করার মূল উদ্দেশ্যই- ব্যক্তির আচার-ব্যবহার কিংবা চরিত্র সংশোধন করে সমাজে পুনরায় প্রতিষ্ঠা করা। যদি তা না হতো, তাহলে তো সবার উপর বিভিন্ন মেয়াদের সাজার সাথে সাথে দেশ ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া জারি হতো। যদিও কারাগার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়েও অনেক তর্ক-বিতর্ক আছে! তলস্তয়ের মতন মানুষেরা বলেন পাপ কিংবা আইনের ভাষায় অপরাধ বহুগুণে বেশি ছড়াতে বরং কারাগারগুলো বেশি  ভূমিকা রাখে। তবে আমরা সেই বিতর্কে যাব না। আমরা যদি ধর্মের দিকে খেয়াল করি তবে সেখানেও দেখব ব্যক্তির পাপ মোচনের মধ্য দিয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠার কর্মপন্থা আছে। যদিও পাপ আর অপরাধ সবসময় এক নয় অনেক ক্ষেত্রে ধর্মীয় ক্ষেত্রে যা পাপ রাষ্ট্র কিংবা সমাজের আইনে তা অপরাধ নয়। আবার অনেক অপরাধ ধর্মের চোখে পাপই নয়। তবে দুটোর মৌলিক মিলক হল দুই শব্দেই আইন কিংবা শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা বোঝায়।

বাংলাদেশে রাষ্ট্র ও সমাজে যে সংকট বিদ্যমান তার জন্যে দায়ী নিরক্ষর ও দরিদ্ররা নয়, বরং মধ্যবিত্ত ও শিক্ষিতরা এর জন্যে দায়ী। ক্রসফায়ারের মতন একটা ব্যবস্থাকে আমরা শুধু স্বীকৃতি দিচ্ছি না তার পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি-তর্ক লড়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমগুলোর কথা নতুন করে বলার কিছু নেই কিন্তু ক্রসফায়ারের মতন সংস্কৃতি সমাজে কায়েম হলে এর ভিকটিম যে আমরাও হবো তা ভুলে যাচ্ছে। ভুলে যাচ্ছি একজন মানুষের বিচার পাওয়ার নাগরিক অধিকারের কথা। আইনের ফাঁকে বের হওয়ার ঘটনায় দাবী তোলা উচিত আইন সংশোধন কিংবা বিচার ব্যবস্থার সংস্কারের অথচ আমরা দাবী করছি ক্রসফায়ারের যা রাষ্ট্র কর্তৃক বিচার বহির্ভূত হত্যা। সুশাসনহীন সমাজে বেঁচে থাকতে থাকতে এই সমাজের সাধারণ মানুষ এতোটাই অসহিঞ্চু ও মানসিকভারসাম্যহীন হয়ে যাচ্ছে যে এরা ধর্ষণ, খুন থেকে শুরু করে যে কোন ইস্যুতে বিচার বর্হিভুত হত্যার দাবী তোলে! আজকাল তো ১০ টাকার একটা সিঙ্গারা চুরির দায়ে মানুষ হত্যা করতেও মানুষের হাত কাঁপছে না। সুশাসনের অভাবে মানুষ যেমন ভায়োলেন্স হয়ে উঠছে একই সাথে হয়ে উঠছে ধর্মীয় লেবাসে অভ্যস্ত। অনিরাপদ সমাজে ধর্মীয় লেবাসে মানুষ তার শেষ নিরাপদ আশ্রয়ে মুখ লুকাতে চায়।

৩.

বাংলার (বাংলাদেশের) অনলাইনে এক প্রকার নারীবাদী দেখা যায়- যারা না বোঝে পুরুষ-তন্ত্র না বোজে পুরুষ। এদের দেখলে মনে হয় এরা সৌদি আরবের জনসম্মুখে কল্লা কাটা প্রগতিশীল গোষ্ঠী। এদের ভাষাও কট্টরপন্থীদের মতন, আসামীর আত্মপক্ষ সমর্থন দিতে নারাজ! অভিযোগের সাথে থাকে কল্লা ফেলে দাও, বিচি ফেলে দাও স্লোগানে তারা মুখরিত। কিছুদিন আগে দেখলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এর সাবেক শিক্ষক রাজীব মীর নামে এক ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ। যার নামে একাধিক যৌন নিপীড়ন এর অভিযোগ আছে। তার চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন, যা তার পরিবারের নেই। তো বাজারে আমাদের কিছু নারীবাদী ফতোয়া রাজি করলো অপরাধীর জান বাঁচানোও  অপরাধ। বাংলাদেশের শাহবাগ থেকে আমরা অনেক শিক্ষা নিতে পারি। গোলাম আযমের মতন অপরাধীকে কেউ পিটিয়ে মারতে যায় নাই। অথচ শাহবাগে মানুষ ছিল ৫ লাখ। পরিমলের মতন অপরাধী কারাগারে সাজা ভোগ করছে। ধর্ষণের অপরাধে সাজা প্রাপ্ত হওয়ার কারণে রাষ্ট্র তাকে অভুক্ত রাখে নাই।  তার অপরাধের সাজা রাষ্ট্র তাকে দিয়েছে কিন্তু একজন ব্যক্তি হিসেবে তার চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার তার আছে। শুধু একজন অপরাধী যখন ডাক্তারের কাছে যায়, তখন ডাক্তার তার রোগী কোন অপরাধে সাজা খাটছে সেই বিচারে চিকিৎসা করে না।

৪.

অস্বীকার করার উপায় নেই বুঝে হোক, না-বুঝে হোক প্রতিপক্ষের মতন আমরা ভিন্ন মতের মানুষের নাগরিক অধিকারের বিষয়ে কথা বলতে খুব একটা উৎসাহী নই। কিন্তু আমরা ভুলে যাই সমাজে ন্যায় বিচার কখন আলাদাভাবে একটা গোষ্ঠীর জন্যে কায়েম হয় না। সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান শর্ত হল- যে কোন ব্যক্তি যে কোন দল, যে কোন ধর্ম বর্ণের হোক না কেন সংবিধান অনুযায়ী তার ন্যায় বিচার পাওয়ার হক প্রতিষ্ঠা করা। ক্রসফায়ারের মতন দ্রুত সমাধান সমাজের কখন দীর্ঘমেয়াদী সুফল বয়ে আনে না, সে সাক্ষ্য এখনো ইতিহাস আমাদের দিয়ে যাচ্ছে। আমরা যারা কথায় কথায় ধর্মবাদীদের ভাষায় মেরে ফেলার ফতোয়া জারি করি তারা ভুলে যাই  ক্যাপিটালিস্ট রাষ্ট্র আসামীর সাজা নিশ্চিত করেই রাষ্ট্র তার দায় সেরে ফেলে। রাষ্ট্র ভুলে যায় একটা ব্যক্তির মৃত্যুর  সাথে একটা পরিবারেরও অর্থনৈতিক ও সামাজিক মৃত্যু ঘটে।

ওয়েলফেয়ার সিস্টেমের দেশগুলোর দিকে তাকালে সহজে বুঝতে পারবেন এই দেশের সিস্টেমে একজন মানুষের মৃত্যু হলেও পরিবারটি টিকে থাকে কারণ- অন্যদের মতন সেও রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধা ভোগ করে।  আমাদের যেহেতু ওয়েলফেয়ার সিস্টেম নাই তাই আমরা নিজের বর্তমান ও ভবিষ্যতের চিন্তায় দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়ি।  সিস্টেম মানুষকে কতোটা অসৎ, দুর্নীতি-গ্রস্ত করে ফেলে তা ওয়েলফেয়ার সিস্টেমের দেশগুলোর সাথে নিজের সিস্টেমকে মিলিয়ে নিলে সহজে বোঝা সম্ভব। ওয়েলফেয়ার সিস্টেমের কথা এই কারণে বললাম, আমরা ব্যক্তির হত্যার মধ্য দিকেই আত্মতৃপ্তির রসদ খুঁজি অথচ কখনো সিস্টেমের বিরুদ্ধে কথা বলতে চাই না, তা নিয়ে ভাবতে চাই। আমরা ফেসবুকে কোন অপরাধীর স্ত্রী-সন্তান  কিংবা পিতা-মাতার ছবি শেয়ার দিয়ে সামাজিক সমস্যার সমাধান খুঁজি। আর একজন অপরাধীর বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে আমরা নিজেরাই অপরাধ করে বসি।

৫.

সোশ্যাল নেটওয়ার্কের একটা মজার দিক হল এই খানে আমাদের কখনো বয়স বাড়ে না। আপনি যদি রাগে-ক্ষোভে  কোন ব্যক্তির উপর ক্ষেপে গিয়ে কোন এক বাজে মন্তব্য করে বসেন তাহলে অনলাইন জীবনে আপনার আর মুক্তি নেই। আপনার ব্যবহারে আপনি দুঃখ প্রকাশ করুন কিংবা নিজের চিন্তার পরিবর্তন করেও মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়। কারণ আপনার মন্তব্যে যে ছবি সেটিতে কখনো পুরনো দাগ পড়বে না। অনেক জ্ঞান-গুণী ব্যক্তি অনেক সময় অচেতনার সহিত ক্ষেপে গিয়ে হয়তো অনলাইনে ৫ বছর কোন একটা স্ট্যাটাস দিয়েছে  সেই স্ট্যাটাস আজও তার প্রতিপক্ষের কাছে নতুন। বই মেলায় রোদেলা প্রকাশনী বন্ধ ইস্যুতে যিনি মানববন্ধনে ছিলেন, ব্লগের ইস্যুতে  যিনি রাজ পথে ছিলেন এমনই একুশে পদক প্রাপ্ত এমনই একজন লেখক কোন এক ব্লগারের উপর ক্ষেপে গিয়ে খুব বাজে-ভাবে কয়েকটা স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেই স্ট্যাটাসের কিছু কথা ৪ বছর পরও পুরনো হয়নি। আমরা যারা এমন একটা স্ট্যাটাস কিংবা কমেন্ট ৫ বছর ধরে হৃদয়ে সংরক্ষণ করে আছি তারা কী কখনো ভাবি- আচ্ছা তিনি তো আমাদের পক্ষেই রাস্তায় ছিলেন তাহলে এমন কথা বললেন কেন কিংবা হয়তো মাথা গরম করে এটা লিখেছেন কিংবা তিনি হয়তো নিজের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করেছেন। এই কথাগুলো এই কারণে বলছি আমি নিজেও অনেক সময় মাথা গরম করে অনেক স্ট্যাটাস দিয়েছি, অস্বীকার করবো না অনেক স্ট্যাটাস খুবই রেসিস্ট ছিল। চার-পাঁচ মিনিট পর যখন বুঝলাম ছোট একটা গ্রুপের কারণে সমগ্র জাতিকে গালি দেওয়া উচিত হয়নি তখন সেটা সরিয়ে নিয়েছি। এমন আচরণ হয়তো আমরা সবাই করি।

ব্যক্তি জীবনে আমাদের বয়স বাড়লেও অনলাইনে অনেকের বয়স বাড়ে না। তাই দেখা যায়  চল্লিশ বছর বয়স্ক ব্যক্তি ২০ বছর আবালের মতন (আবাল কোন গালি নয়,যদিও অনেকে গালিভাবে) কথা বলে। অনলাইনে কী আমাদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে  আমাদের চিন্তা-চেতনার কী পরিবর্তন আসছে কিনা তা সহজে বুঝতে পারা যায় যখন আমরা কয়েক বছর আগের পুরনো পোষ্টগুলো দেখি। অনলাইনে আমরা কী আচরণ করেছি কিংবা করতাম তাও ভাবতে হবে। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সংগ্রাম মনে হয় নিজের সাথে সংগ্রাম করা। আর এই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে মানুষের নিজেকে প্রতিনিয়ত সংস্কার করে সামনের দিকে এগিয়ে যায়।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.