বর্তমান সরকারের ব্যাংক কেলেঙ্কারি

rwkozk

বলা হয়, জিয়াউর রহমানও ব্যক্তিগতভাবে সৎ ছিলেন। কিন্তু রাজনীতির প্রয়োজনে ও বাঘা বাঘা লোকদের ব্যবহার করার জন্যে তাদের লুটপাটের সুযোগ দিয়েছিলেন। বলছিলাম সৎ’দের দেশে সবগুলো ব্যাংকে এমন লুটপাট হল কীভাবে?

বঙ্গবন্ধু যেদিন ভাষণে বলেছিলেন, যা ভিক্ষা করে আনি চাটার-গুষ্ঠি সব লুট করে খায়! পরের দিন বঙ্গ-বাজারে এক অনুষ্ঠানে গিয়ে তাজউদ্দীন বলেছিলেন; ক্ষমতা আমরা তাহলে চুরি করে কে? রাষ্ট্রপ্রধানের ব্যক্তিগত সততার সাইনবোর্ড আসলে দেশের চিত্র না পাবলিকেরও অনেক সময় কোন ফায়দা হয় না, যদি না দলীয় দুর্নীতি বন্ধ না হয়। কারণ ব্যক্তিগত সততা থাকার পরও ৭৪ সালে দুর্ভিক্ষে সরকারী মতে ২৭ হাজার বেসরকারি মতে লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু থামাতে পারেনি।

রেডিও মুন্নাদের নিউজে প্রধানমন্ত্রীর সততার ধোঁয়া নাকি দেশে বিদেশেও উঠছে। তাহলে এতো বড় সৎ ব্যক্তির আমলে এই অবস্থা কেন? ৯৬ সালে শেয়ার বাজার লুটে নেয় আওয়ামী লীগের লোকজন। ২০০৯ সালের আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে। আওয়ামী লীগের সাথে ব্যাংক ও শেয়ার বাজার লুট রক্তের সম্পর্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিএনপি-জামাতের আমলেও ব্যাংক লুটের সংস্কৃতির ভাঙ্গন হয়নি। পাবলিকের অর্থ রাজনৈতিক ক্ষমতার জোরে প্রতিটি সরকার লুটে নিচ্ছে। অতীতে ব্যাংক লুটের ঘটনায় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা যুক্ত থাকলেও এর পরিধি এখন বেড়েছে। বর্তমানে সুশীল সমাজ, অধ্যাপক, ইতিহাসবিদসহ বহু লোকের নাম তালিকায় যুক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের লোকজন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এতিমের ২ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলার রায়ের পর গর্ব করে বলছে- আওয়ামী লীগ কখনো এতিমের টাকা মেরে খায় না। আওয়ামীলীগ যেহেতু এতিমের টাকা মেরে খায় না সেহেতু বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোকে বাঁচাতে হলে প্রতিটি ব্যাংকে একটা এতিমের একাউন্ট খুলে দিতে হবে। তাতে যদি ব্যাংক লুটের উৎসব বন্ধ হয়। তবে এদেশের লুটেরাও আবার বেশ বুদ্ধিমান! তারা ব্যাংক লুট করে প্রথমে হজ্বে যায়, তারপর নিজ এলাকায় একটা মসজিদ কিংবা মাদ্রাসা স্থাপন করে দেয়। ফলে সামাজিকভাবে এসব ডাকাতদের সম্মানহানীর কমতি হয়না উল্টো কয়েক বছর পর এমপি হিসেবে নির্বাচনে মাঠে নামে।

এই ব্লগে আমরা দেখবো, গত কয়েক বছরে আওয়ামী লীগের আমলে ব্যাংকিং খাতে কী পরিমাণ লুণ্ঠন হয়েছে পত্রিকায় প্রকাশিত তার খবর ও বিবরণের ক্ষুদ্র চিত্র।

সমকাল: শীর্ষ ২৫ খেলাপির কাছে দশ হাজার কোটি টাকা’
১ মার্চ ২০১৮

দেশের শীর্ষ ২৫ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিভিন্ন ব্যাংকের প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা আটকে আছে। এ টাকা আদায়ে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিকে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য জানায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শীর্ষ ২৫টি প্রতিষ্ঠানের কাছে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৯ হাজার ৬৯৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।

সমকাল: হাজার কোটি টাকা দিয়ে বিপদে জনতা ব্যাংক
বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

চামড়া খাতের কোম্পানি ক্রিসেন্ট লেদারের রফতানির অর্থ দেশে আসেনি। অথচ নিয়ম-নীতি লঙ্ঘন করে একের পর এক বিল কিনেছে জনতা ব্যাংক। এভাবে বাছবিচার ছাড়াই ব্যাংকটির পুরান ঢাকার ইমামগঞ্জ শাখা থেকে ক্রিসেন্ট লেদারকে দেওয়া হয়েছে এক হাজার ১৩৫ কোটি টাকা। একক গ্রাহকের ঋণসীমার নিয়মও এ ক্ষেত্রে মানা হয়নি। সম্প্রতি কিছু অর্থ ফেরত আনার পর এখন ব্যাংকের পাওনা দাঁড়িয়েছে ৯৯৫ কোটি টাকা। ব্যাংকের বর্তমান মূলধন অনুযায়ী একজন গ্রাহককে সর্বোচ্চ ৭৪৫ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সীমা অতিরিক্ত অর্থ একক গ্রাহককে দিয়ে এখন বিপদে পড়েছে জনতা ব্যাংক। সংশ্নিষ্ট সূত্রে এ খবর জানা গেছে।

বণিকবার্তা: সংসদে অর্থমন্ত্রী
৭ ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১৮

সরকারি-বেসরকারি সাত ব্যাংক প্রায় সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকার মূলধন ঘাটতিতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকগুলোয় এ মূলধন ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে। ঘাটতিতে থাকা এসব ব্যাংকের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক রয়েছে চারটি। ব্যাংকগুলো হলো— সোনালী, রূপালী, জনতা ও বেসিক। মূলধন ঘাটতিতে থাকা বেসরকারি তিন ব্যাংক হলো— বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ফারমার্স ব্যাংক ও আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক।

প্রথম আলো: বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি:জেনেশুনে নীরব ছিল সবাই
পরিচালনা পর্ষদের কারও শাস্তি হয়নি।

২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

• বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি।
• ২০১১ সালে বাচ্চুর অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
• অর্থ মন্ত্রণালয়কে তা জানালেও ব্যবস্থা নেয়নি।
• দুদকও চুপ ছিল।

বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চুর অনিয়ম-দুর্নীতির কথা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংক—কারোরই অজানা ছিল না। কিন্তু দায়িত্বশীল সংস্থাগুলো তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো তাঁকে প্রশ্রয় দিয়েছে এবং রহস্যজনক কারণে সমীহ করেছে।

প্রথম আলো: জনতা ব্যাংকে একক ব্যক্তির ঋণে বৃহত্তম কেলেঙ্কারি
সোমবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

ভয়ংকর রকম উদারভাবে ঋণ বিতরণ করেছে জনতা ব্যাংক। এক গ্রাহককেই মাত্র ৬ বছরে তারা দিয়েছে ৫ হাজার ৫০৪ কোটি টাকার ঋণ ও ঋণসুবিধা। নিয়মনীতি না মেনে এভাবে ঋণ দেওয়ায় বিপদে ব্যাংক, গ্রাহকও ঋণ পরিশোধ করতে পারছেন না।

জনতা ব্যাংকের মোট মূলধন ২ হাজার ৯৭৯ কোটি টাকা। মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার সুযোগ আছে। অর্থাৎ এক গ্রাহক ৭৫০ কোটি টাকার বেশি ঋণ পেতে পারেন না। দেওয়া হয়েছে মোট মূলধনের প্রায় দ্বিগুণ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবুল বারকাতের সময় এই অর্থ দেওয়া হয়। ২০০৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ বছর জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। এ সময় ব্যাংকের পর্ষদ সদস্য ছিলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা বলরাম পোদ্দার, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সাবেক সহসম্পাদক নাগিবুল ইসলাম ওরফে দীপু, টাঙ্গাইলের কালিহাতী আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী যুবলীগ নেতা আবু নাসের প্রমুখ।

বণিকবার্তা ব্যাংকের খেলাপি ঋণ
৫৩ শতাংশই গভর্নর ড. আতিউরের আমলে

শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮

দেশের ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক কোম্পানি আইনের মাধ্যমে এ খাতের তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ, আইনের পরিপালনসহ অন্যান্য ক্ষমতা কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দেয়া হয়েছে। এ ক্ষমতার সর্বোচ্চ প্রয়োগের দায়িত্ব প্রধান নির্বাহী হিসেবে গভর্নরের। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত গভর্নরের দায়িত্ব পেয়েছেন মোট ১১ জন। এসব গভর্নরের মেয়াদে দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ (অবলোপনসহ) সৃষ্টি হয়েছে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা। এর ৫৩ শতাংশই সৃষ্টি হয়েছে সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানের মেয়াদে।

প্রথম আলো: ৩ ব্যাংক পরিচালক ঋলখেলাপি
ঋণ পাচ্ছেন খেলাপিরা, পরিচালক পদেও বহাল

২৭ ডিসেম্বর ২০১৭

ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে শোধ করেননি। তাই আইন অনুযায়ী তাঁরা খেলাপি হয়ে গেছেন। ফলে নতুন করে ঋণ নেওয়ার এবং ব্যাংকের পরিচালক পদে থাকার যোগ্যতাও হারিয়েছেন। তারপরও তাঁরা পরিচালক পদে থেকে ব্যাংক পরিচালনা করছেন। তাঁদের কাউকে কাউকে আবার অন্য ব্যাংকগুলো উদারহস্তে ঋণ প্রদান করছে। এতে ঝুঁকিতে চলে যাচ্ছে আমানতকারীদের অর্থ। কমপক্ষে তিনজন ব্যাংক পরিচালকের ব্যাপারে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

তাঁরা তিনজন হলেন ঢাকা ব্যাংকের পরিচালক ও বিএনএস গ্রুপের কর্ণধার এম এন এইচ বুলু, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক আবদুল আওয়াল পাটোয়ারি ও এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের পরিচালক কামরুন নাহার সাখী।

প্রথম আলো: ব্যাংক খাতে রাজনীতি টেনে আনার ফল
২৭ ডিসেম্বর ২০১৭

অর্থমন্ত্রী বলে দিলেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় ব্যাংক দেওয়া হয়েছে। অর্থনীতিকে রাজনৈতিকভাবে পরিচালনা করলে যা হওয়ার তাই হয়েছে। এটা ব্যাংক খাতে রাজনীতি টেনে আনারই ফল। রাজনীতিবিদদের তো ব্যাংক দেওয়া উচিত না।

গ্রাহকদের টাকা দিচ্ছে না ফারমার্স ব্যাংক
২২ ডিসেম্বর, ২০১৭

বেসরকারি খাতের ফারমার্স ব্যাংকে জমা রাখা টাকা ফেরত পাচ্ছেন না আমানতকারীরা। ব্যাংকটির শাখাগুলোয় টাকা তুলতে প্রতিদিন ভিড় করছেন গ্রাহকরা। কিন্তু তাদের হতাশ করছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। অনেককে পে-অর্ডার দিয়ে সাময়িক শান্ত রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আবার ব্যাংকের হিসাবে টাকা না থাকায় বারবার চেক ডিজঅনার (প্রত্যাখ্যাত) হচ্ছে। যার জমা ৫ কোটি টাকা, তাকে দেয়া হচ্ছে ৫০ হাজার টাকা।

ফারমার্স ব্যাংক লুটপাটে প্রতিষ্ঠাতারা: মুহিত
২১ ডিসেম্বর, ২০১৭

ধুকতে থাকা ফারমার্স ব্যাংকে ব্যাপক অনিয়মের জন্য ব্যাংকটির প্রতিষ্ঠাতাদের দায়ী করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
সরিয়ে দেওয়া হল ফারমার্স ব্যাংকের এমডিকেও ফারমার্স ব্যাংক থেকে মহীউদ্দীন আলমগীরের পদত্যাগ শত শত কোটি টাকা অনিয়মের পর ফারমার্স ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ সিলেটে বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে এলে ব্যাংক খাতে সাম্প্রতিক অস্থিরতা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সরাসরি ফারমার্স ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতাদের নিয়ে কথা বলেন তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, “ফারমার্স ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতারাই ব্যাংকটিকে লুটপাট করে শেষ করে দিয়েছে।”
ব্যাংকটির প্রভাবশালী অন্যান্য উদ্যোক্তার মধ্যে আছেন— সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ডের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. মাহবুবুল হক বাবুল চিশতী, পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের মেয়ে নাফিসা কামাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মুনতাসীর উদ্দিন খান মামুন (মুনতাসীর মামুন), লুসাকা গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান সরকার, মোহাম্মদ মাসুদ, আজমত রহমান, ড. মোহা. আতাহার উদ্দিন ও অমিকন গ্রুপের প্রধান নির্বাহী মো. মেহেদী হাসান।


প্রথম আলো: সাত বছরে আত্মসাৎ ৩০ হাজার কোটি টাকা

২৭ মার্চ ২০১৭

গত সাত বছরে ঘটেছে ছয়টি বড় আর্থিক কেলেঙ্কারি। এসব কেলেঙ্কারিতে ৩০ হাজার কোটি টাকারও বেশি চুরি বা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এ অর্থ দিয়েই অনায়াসে একটি পদ্মা সেতু তৈরি করা যেত। বড় এসব আর্থিক কেলেঙ্কারিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ। শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি লাখ লাখ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীকে সর্বস্বান্ত করেছে। রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ পাওয়া বিভিন্ন ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের একটি অংশ ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাতে সহযোগিতা করেছে, নিজেরাও লাভবান হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছাড় দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একটি কেলেঙ্কারিরও বিচার হয়নি। সাজা পাননি অভিযুক্তদের কেউ। প্রাথমিক তদন্ত হয়েছে। বছরের পর বছর মামলা চলছে। অভিযুক্তদের কেউ জেলে আছেন, কেউ চিকিৎসার নামে হাসপাতালে আরাম-আয়েশে আছেন। অনেকে জামিন পেয়েছেন।

বণিক বার্তা: চলতি মাসের বেতন হবে না ফারমার্স ব্যাংকে
২০ ডিসেম্বর ২০১৭

নগদ টাকা না থাকায় প্রায় দুই মাস ধরে ফারমার্স ব্যাংকের ঋণ বিতরণ বন্ধ। অন্যদিকে জমা অর্থ তুলে নিতে মরিয়া আমানতকারীরা। প্রায় প্রতিদিনই ব্যাংকটিতে ভিড় করলেও খালি হাতেই ফিরতে হচ্ছে তাদের। এমন পরিস্থিতির মধ্যে এবার অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে নজিরবিহীন অর্থ সংকটে থাকা ব্যাংকটির কর্মীদের বেতন পরিশোধ। চলতি মাসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছেন ব্যাংকটির পর্ষদ সদস্যরাই।

প্রথম আলো: ১০ বছরে সাড়ে ৬ হাজার কোটি ডলার পাচার
২২ নভেম্বর, ২০১৭

এর মধ্যে ২০০৪ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত পাচার হয়েছে ৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর ২০১৪ সালেই পাচার হয়েছে ৯ মিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির (জিএফআই) কাছে এ অর্থ পাচারের তথ্য রয়েছে।

বিবিসি:ব্যাংকিং খাতে পরিবারতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আইন?
২২ নভেম্বর ২০১৭

বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতে পরিবারতন্ত্রকে গুরুত্ব দিয়ে আইনের সংশোধন হতে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত একটি বিল সংসদীয় কমিটি চূড়ান্ত করে দিয়েছে। প্রস্তাবিত এ আইনে বলা হচ্ছে, যে কোন বেসরকারি ব্যাংকে একই পরিবার থেকে চারজন সদস্য পরিচালনা পর্ষদে থাকতে পারবেন।বিশ্লেষকরা বলছেন, আইনে এ ধরনের পরিবর্তন তাদের ভাষায় ব্যাংকিং খাতে লুটপাট এবং চরম অব্যবস্থাপনার সৃষ্টি করতে পারে।

প্রথম আলো: ডুবন্ত ফারমার্সকে বাঁচাবে কে? বিপর্যস্ত ব্যাংকিং খাত
২২ ডিসেম্বর ২০১৭

ব্যাংকিং খাতে বিশৃঙ্খলা, অনিয়ম-দুর্নীতি নতুন নয়। বিশেষ করে রাজনৈতিক বিবেচনায় নতুন নতুন ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক হস্তক্ষেপ করেও নতুন প্রজন্মের ব্যাংকগুলোকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পারছে না।

বাংলাদেশ প্রতিদিন বাংলাদেশ প্রতিদিন: কারা মারে ব্যাংকের টাকা?
বুধবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৭

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার সময় দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। নয় বছর পর সেই খেলাপি ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০ হাজার ৩০৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ বর্তমান সরকারের দুই মেয়াদে খেলাপি ঋণ বেড়েছে সাড়ে ৩ গুণ। এর বাইরে আরও ৪৫ হাজার কোটি টাকার খারাপ ঋণ অবলোপন করা হয়েছে। লুকিয়ে রাখা এই বিশাল অঙ্ক খেলাপি ঋণ হিসাবের বাইরে রয়েছে। সব মিলিয়ে খেলাপি ঋণ এখন ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।

প্রথম আলো: বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি 
০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি হওয়া ১০ কোটি ১০ লাখ ডলারের যে অংশ (সাড়ে ছয় কোটি ডলার) এখনো উদ্ধার করা যায়নি, তা ফিরে পেতে বাংলাদেশকে দ্বিপক্ষীয় প্রচেষ্টা বজায় রাখার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আইনে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে। এই অর্থ চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের ব্যাংক ও যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের দায়দায়িত্ব নিরূপণ এক বছরেও সম্পন্ন না হওয়ার বিষয়টি অস্বস্তিকর।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.